কৃষক কার্ডের যাত্রা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ০৫:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
- / 27
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে কৃষকদের মধ্যে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছে বিএনপির সরকার। এই কার্ড পাওয়া কৃষকরা সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনাসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখের মাহেন্দ্রক্ষণে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ওই কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রাথমিকভাবে দেশের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় এই কর্মসূচি চালু হয়েছে। আগামি চার বছরের মধ্যে দেশের সব কৃষককে এই কার্যক্রমের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকার বলছে, কৃষকরা অর্থনীতির প্রাণ। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে যে ফসল ফলান, তাতেই এ দেশের মানুষের অন্নসংস্থান হয়। যে কার্ডটি কৃষকের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, এটি কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়; এটি অধিকারের দলিল, এটি সমৃদ্ধির সোপান। এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা যে সুবিধাগুলো পাবেন, তা জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, কার্ডধারী কৃষকরা ১০ ধরনের সরাসরি
সুবিধা পাবেন-
১. সরাসরি সরকারি ভর্তুকি ও নগদ প্রণোদনা।
২. ন্যায্যমূল্যে সার, বীজ ও উন্নত মানের কীটনাশক।
৩. সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে কৃষিঋণ।
৪. প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত ‘শস্য ও কৃষি বীমা’।
৫. ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা।
৬. মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এড়িয়ে সরাসরি সরকারি ক্রয়কেন্দ্রে পণ্য
বিক্রির সুযোগ।
৭. আধুনিক কৃষিযন্ত্রপাতির (ট্রাক্টর, হার্ভেস্টার) সহায়তা।
৮. উন্নত চাষাবাদের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ।
৯. আবহাওয়া ও রোগবালাই দমনের পূর্বাভাস সরাসরি মোবাইলে প্রাপ্তি।
১০. সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি।
কৃষক কার্ড কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের একটি ডাটাবেজ তৈরি এবং
সরাসরি সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা পৌঁছানো সহজ হবে বলে আশা করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

















