ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গণভোটে জনগণের স্পষ্ট মতামত থাকা সত্ত্বেও সরকার সেই রায় অস্বীকার করেছে: আখতার Logo চৌদ্দগ্রামে গার্মেন্টসে দগ্ধ সিকিউরিটি কর্মীর মৃত্যু Logo ‘অনাগ্রহী’ যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান Logo সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের কবলে পড়ে হত্যার শিকার কাস্টমস কর্মকর্তা, গ্রেপ্তার ৫ Logo আশা করব গুজব ছড়ানোর আগে যেন একটু ভেরিফাই করে নেয়া হয় Logo এনসিপির যুবশক্তির নতুন কমিটির নেতৃত্বে তারিকুল-ফরহাদ Logo সিএনজিসহ প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার করেছে ডিবি Logo এলজিইডিতে ক্ষমতার একক আধিপত্য: বহুপদ দখল, অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় নির্বাহী প্রকৌশলী আতাউর রহমান Logo মুরাদনগরে ব্ল্যাকমেইল সিন্ডিকেট: ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ Logo গণপূর্ত প্রকৌশলী তাবেদুন সিন্ডিকেটের কোটি টাকা লুটপাট,

ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করতেন ১১ পুলিশ সদস্য

  • আপডেট সময় : ১০:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / 50
cumillapost অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজন পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ১১ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মেস ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) আরিফ মাহমুদ, মো. আল মামুন, মো. রেজাউল করিম ও কাজী রাজিউল জামান, কনস্টেবল মো. আতিউর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান, অফিস সহকারী মো. তৌফিক এলাহী, গুদামদার মো. জহির উদ্দিন এবং বিক্রয় সহকারী সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৫২টি ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করা হয়। এসব কার্ডের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে মোট ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৮৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, অভিযুক্তরা সরকারি দায়িত্বে থেকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণাপূর্ণভাবে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তদন্তের সময় অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলায় অভিযুক্তরা বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় কর্মরত আছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করতেন ১১ পুলিশ সদস্য

আপডেট সময় : ১০:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজন পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ১১ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মেস ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) আরিফ মাহমুদ, মো. আল মামুন, মো. রেজাউল করিম ও কাজী রাজিউল জামান, কনস্টেবল মো. আতিউর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান, অফিস সহকারী মো. তৌফিক এলাহী, গুদামদার মো. জহির উদ্দিন এবং বিক্রয় সহকারী সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৫২টি ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করা হয়। এসব কার্ডের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে মোট ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৮৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, অভিযুক্তরা সরকারি দায়িত্বে থেকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণাপূর্ণভাবে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তদন্তের সময় অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলায় অভিযুক্তরা বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় কর্মরত আছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।