কুমিল্লা চান্দিনা যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে মারধর ও ভ্রন হত্যার অভিযোগ, স্বামীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
- আপডেট সময় : ০৫:৪০:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
- / 127
কুমিল্লা প্রতিনিধিঃ
কুমিল্লার চান্দিনায় যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং জোরপূর্বক গর্ভপাত করানোর অভিযোগে স্বামীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে কুমিল্লার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৪ নম্বর আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী ঐ গৃহবধূ (৩০)।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল গ্রামের আবুল হাসেম স্বর্নকারের ছেলে মো. সাখাওয়াত হোসেনের সাক্কু সঙ্গে বাদীর রেজিস্ট্রি কাবিননামা অনুযায়ী বিয়ে হয়। বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে নগদ টাকা ও আসবাবপত্র দেওয়ার পরও পরবর্তীতে অভিযুক্তরা আরও পাঁচলক্ষ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন বলে অভিযোগ উল্লেখ্য করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাদিনীকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তাকে মারধর করেন। পরে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও নির্যাতন বন্ধ হয়নি বরং মামলা উঠানোর জন্য অনেক ধরনের ভয় ভীতি দেওয়া হচ্ছে।
মামলার বাদী ঐ গৃহবধূর অভিযোগ, তিনি অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় যৌতুকের দাবিতে আসামিরা তার ওপর নির্যাতন চালায় এবং পেটের ৪ মাসের বাচ্চাও নষ্ট করার অভিযোগ করেন৷
এতে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মুন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন—বাদীর স্বামী মো. সাখাওয়াত হোসেন সাক্কু তার বাবা মো. আবুল হাসেম সরকার সহ পরিবারের আরও তিন সদস্য। তার বোন ও দুই বাগিনা তাদের বিরুদ্ধেও যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য বিজ্ঞ আদালত পুলিশ ব্রুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রেরণ করেন।
অন্যদিকে মামলার ভূক্তভোগী জানান, তদন্তের নামে ইতোমধ্যে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে যাচ্ছে সাখাওয়াত ও তার সহযোগিরা। বর্তমানে বিভিন্ন প্রকার হুমকী ধামকীর মধ্য দিয়ে মামলা টি ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের সাথে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্ঠা করেও সম্ভব হয়নি।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ ব্রুরো অব ইনভেস্টিগেশন উপ পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, মামলার তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে রিপোর্টটি বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে৷













