ঢাকা ১১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo জিয়াউর রহমানকে হত্যার সময় চট্টগ্রামের পরিস্থিতি কেমন ছিলো Logo গোপালগঞ্জের সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনকে দাফন Logo আদ্–দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু ৩ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন Logo শাপলা গণহত্যা নিয়ে খালেদ সাইফুল্লাহর বক্তব্যে শাপলা স্মৃতি সংসদের নিন্দা Logo বুড়িচংয়ে বীমা প্রতারক জাহিদের খপ্পরে , নিঃস্ব শতাধিক পরিবার Logo মোদিকে ঝালমুড়ি খাইয়ে আতঙ্কে দোকানদার Logo তুরাগে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo কুমিল্লায় বউয়ের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় বড় ভাই নিজের হাতে ছোট ভাই কুপিয়ে হত্যা করেছে Logo যুদ্ধবিরতির মধ্যেও সৌদি-আমিরাতে হামলা Logo অধিকার হরণকারীদের বিরুদ্ধে রাজপথেই জবাব দেওয়া হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

Cumilla Post
  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 118
cumillapost অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ (কাউয়ার টুক) সীমান্তের ওপারে ভারতীয় নাগরিক খাসিয়ার গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তিনি কালাইরাগ (কারবালার টুক) গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় কালাইরাগ কাউয়ার টুক এলাকার ভারতীয় অংশে এ ঘটনা ঘটে।

 

বিজিবি জানায়, অবৈধভাবে ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার ভিতরে চংকেটের বাগান ও মারকানের বাগানের মধ্যবর্তী এলাকায় তিনজন বাংলাদেশি ভারতীয় নাগরিক খাসিয়াদের সুপারি বাগানে প্রবেশ করে। এ সময় ভারতীয় খাসিয়ারা সুপারি চোর সন্দেহে ছড়রা বন্দুক দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়লে বাংলাদেশী নাগরিক সালেহ আহমেদ জয়ধর গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। পরে তার সঙ্গে থাকা নাজিরগাঁও গ্রামের সোহেল আহমেদ সাবুর ছেলে সুমন মিয়া (২৫) ও কারবালার টুক গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মাসুম আহম্মদ (২০) তাকে মৃত অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসে। বিজিবি আরো জানায়, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এই তিনজনই ইতিপূর্বে চোরাচালানি মালামাল পরিবহনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।

এর আগে গত ১ এপ্রিল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্ত এলাকার ভারতীয় অংশে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি নিখোঁজ হোন। সাদ্দামের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এরপর সে আর ফিরে আসেননি। সাদ্দামের বন্ধু আবু বকর জানিয়েছে, সাদ্দামকে কোমর ও পায়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখনো তার কোনো সন্ধান মিলেনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান জানান, ভারতে গিয়ে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। লাশ ইতিমধ্যে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করে পোস্টমর্টেমে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

আপডেট সময় : ০৫:৩১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কালাইরাগ (কাউয়ার টুক) সীমান্তের ওপারে ভারতীয় নাগরিক খাসিয়ার গুলিতে সালেহ আহমেদ জয়ধর (৩০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। তিনি কালাইরাগ (কারবালার টুক) গ্রামের তৈয়ব আলীর ছেলে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় কালাইরাগ কাউয়ার টুক এলাকার ভারতীয় অংশে এ ঘটনা ঘটে।

 

বিজিবি জানায়, অবৈধভাবে ভারতের প্রায় এক কিলোমিটার ভিতরে চংকেটের বাগান ও মারকানের বাগানের মধ্যবর্তী এলাকায় তিনজন বাংলাদেশি ভারতীয় নাগরিক খাসিয়াদের সুপারি বাগানে প্রবেশ করে। এ সময় ভারতীয় খাসিয়ারা সুপারি চোর সন্দেহে ছড়রা বন্দুক দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়লে বাংলাদেশী নাগরিক সালেহ আহমেদ জয়ধর গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। পরে তার সঙ্গে থাকা নাজিরগাঁও গ্রামের সোহেল আহমেদ সাবুর ছেলে সুমন মিয়া (২৫) ও কারবালার টুক গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মাসুম আহম্মদ (২০) তাকে মৃত অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসে। বিজিবি আরো জানায়, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এই তিনজনই ইতিপূর্বে চোরাচালানি মালামাল পরিবহনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।

এর আগে গত ১ এপ্রিল কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্ত এলাকার ভারতীয় অংশে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশি নিখোঁজ হোন। সাদ্দামের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, সে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এরপর সে আর ফিরে আসেননি। সাদ্দামের বন্ধু আবু বকর জানিয়েছে, সাদ্দামকে কোমর ও পায়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখনো তার কোনো সন্ধান মিলেনি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান জানান, ভারতে গিয়ে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। লাশ ইতিমধ্যে বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। পুলিশ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করে পোস্টমর্টেমে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।