ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রেমিট্যান্সে রেকর্ড, অর্থবছরে এলো ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার Logo রাজধানীতে পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo সচিবালয়ের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে! সাংবাদিকতার আড়ালে আ’লীগ নেতার চাঁদাবাজি ও ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ চাঞ্চল্যকর অভিযোগ Logo ঢাবি শিক্ষার্থী ও তার মা-বোনকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে নিহত সন্দেহভাজন Logo গণপূর্তের সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির পাহাড়: কাজ না করেই বিল উত্তোলন, টেন্ডার বাণিজ্যের সুনির্দিষ্ট তথ্য দুদকে। Logo ইনুর রায় ৩০ জুন, সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা: চিফ প্রসিকিউটর Logo এবার নিজ নামে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের Logo ৮নং জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে সিরাজুল ইসলামকে পেতে চায় ইউনিয়নবাসী Logo ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসাবে গড়তে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী…..জসিম উদ্দিন শান্ত Logo বাংলাদেশ বিকিয়ে দিয়ে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এই সরকার কখনো করবে না

জাহাজের আর অপেক্ষা নেই—জিরো ওয়েটিং টাইমে চট্টগ্রাম বন্দর

Cumilla Post
  • আপডেট সময় : ০২:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / 126
cumillapost অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

 

 

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর আবারও জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরেছে। এতে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষা শূন্যে নেমে এসেছে। ফলে জাহাজের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম কমেছে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি বেড়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অর্জনের ফলে ব্যবসায়িক ব্যয় কমছে, সরবরাহ ব্যবস্থা আরও নির্ভরযোগ্য হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা দৃশ্যমান হচ্ছে। সমন্বিত পরিকল্পনা, নিবিড় তদারকি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে এই সাফল্য এসেছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রথমবার জিরো ওয়েটিং টাইম অর্জন করে চট্টগ্রাম বন্দর। এরপর অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ধারাবাহিকভাবে এ অবস্থা বজায় ছিল।

তবে জানুয়ারির শেষ ভাগ থেকে ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে কর্মবিরতি ও কিছু জটিলতায় কার্যক্রমে ছন্দপতন ঘটে। পরবর্তী সময়ে পূর্ণোদ্যমে কার্যক্রম চালু হওয়ায় আবারও অপেক্ষার সময় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ঈদের ছুটির সময়ও বন্দর ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু রাখা হয়। ঈদের আগে জাহাজের অপেক্ষার সময় ৩ থেকে ৫ দিনে উঠলেও কর্তৃপক্ষের বাড়তি নজরদারি ও সমন্বয়ের ফলে আউটার অ্যাংকরেজে অপেক্ষার সময় আবার শূন্যে নেমে আসে। এতে জাহাজ দ্রুত পণ্য ওঠানামা করে বন্দর ত্যাগ করতে পারছে।

তিনি আরও বলেন, এতে শিপিং কোম্পানির সময় ও খরচ কমছে। আমদানিকারকেরা দ্রুত পণ্য পাচ্ছেন এবং রপ্তানিকারকেরা সময়মতো পণ্য পাঠাতে পারছেন। লজিস্টিকস খরচ কমায় পণ্যের বাজার মূল্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যার সুফল পাচ্ছেন ভোক্তারা।

মূলত রমজান মাসের শুরু থেকেই সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েটিং টাইম শূন্যে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঈদের ছুটিতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রোস্টার ডিউটির মাধ্যমে কার্যক্রম চালু রাখা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

জাহাজের আর অপেক্ষা নেই—জিরো ওয়েটিং টাইমে চট্টগ্রাম বন্দর

আপডেট সময় : ০২:৩৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

 

 

 

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর আবারও জিরো ওয়েটিং টাইমে ফিরেছে। এতে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষা শূন্যে নেমে এসেছে। ফলে জাহাজের টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম কমেছে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে গতি বেড়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অর্জনের ফলে ব্যবসায়িক ব্যয় কমছে, সরবরাহ ব্যবস্থা আরও নির্ভরযোগ্য হচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা দৃশ্যমান হচ্ছে। সমন্বিত পরিকল্পনা, নিবিড় তদারকি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের মাধ্যমে এই সাফল্য এসেছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রথমবার জিরো ওয়েটিং টাইম অর্জন করে চট্টগ্রাম বন্দর। এরপর অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে ধারাবাহিকভাবে এ অবস্থা বজায় ছিল।

তবে জানুয়ারির শেষ ভাগ থেকে ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে কর্মবিরতি ও কিছু জটিলতায় কার্যক্রমে ছন্দপতন ঘটে। পরবর্তী সময়ে পূর্ণোদ্যমে কার্যক্রম চালু হওয়ায় আবারও অপেক্ষার সময় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ঈদের ছুটির সময়ও বন্দর ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু রাখা হয়। ঈদের আগে জাহাজের অপেক্ষার সময় ৩ থেকে ৫ দিনে উঠলেও কর্তৃপক্ষের বাড়তি নজরদারি ও সমন্বয়ের ফলে আউটার অ্যাংকরেজে অপেক্ষার সময় আবার শূন্যে নেমে আসে। এতে জাহাজ দ্রুত পণ্য ওঠানামা করে বন্দর ত্যাগ করতে পারছে।

তিনি আরও বলেন, এতে শিপিং কোম্পানির সময় ও খরচ কমছে। আমদানিকারকেরা দ্রুত পণ্য পাচ্ছেন এবং রপ্তানিকারকেরা সময়মতো পণ্য পাঠাতে পারছেন। লজিস্টিকস খরচ কমায় পণ্যের বাজার মূল্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যার সুফল পাচ্ছেন ভোক্তারা।

মূলত রমজান মাসের শুরু থেকেই সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েটিং টাইম শূন্যে রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঈদের ছুটিতেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রোস্টার ডিউটির মাধ্যমে কার্যক্রম চালু রাখা হয়।