ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সবার প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করবে সরকার: ডা. জুবাইদা Logo বিশ্ব বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধিতে ঈদ যাত্রায় প্রভাব পড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী Logo ওমান ছাড়তে মার্কিন কূটনৈতিক কর্মীদের নির্দেশ ওয়াশিংটনের Logo এসএসসিতে প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ: সর্বশেষ ঘটনাপ্রবাহ Logo বাগেরহাটে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ: বর–কনেসহ নিহত বেড়ে ১৪ Logo ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করতেন ১১ পুলিশ সদস্য Logo রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধের কারণে সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছি Logo এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ: প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের অধিবেশন কক্ষে আরবি ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা তাইয়্যেবা

এসএসসিতে প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
cumillapost অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে।

তিনি বলেন, ‘আসন্ন ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষার পবিত্রতা রক্ষায় এবার মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হবে। সবগুলো শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাসহ পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে শিগগিরই মতবিনিময় করা হবে।’

আজ শনিবার রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’-এর সদস্যদের সঙ্গে ইফতার পরবর্তী এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করা আমার কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা অতীতে সফল হয়েছি, এবারও সেই ধারা বজায় থাকবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা প্রশ্ন ফাঁসের অপচেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমি নিজে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পরীক্ষার সার্বিক নিরাপত্তা তদারকি করব।’

সারাদেশে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য একই স্ট্যান্ডার্ড বা মানদণ্ড থাকা উচিত। বিশ্বজুড়ে যদি বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নে হতে পারে, তাহলে আমাদের দেশেও তা সম্ভব। আগামী বছর থেকে এই পদ্ধতি চালুর বিষয়ে কী করা যায়, আমরা তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি ।’

মন্ত্রণালয়কে নিজের ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে মিলন বলেন, ‘আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আমি এমন ভিত্তি তৈরি করতে চাই, যা ১৮০ বছরের সমতুল্য প্রভাব ফেলবে। আমার লক্ষ্য হলো ধীরস্থিরভাবে কাজ করে যাওয়া, যাতে কোনো ভুল পদক্ষেপ না হয়।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে তিন স্তরের স্ক্রিনিং প্রসেস রাখার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত শিক্ষকদের সুযোগ দিতেই এই যৌক্তিক পুনর্নির্ধারণ। এ ছাড়া ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে নিজের অন্যতম প্রধান মিশন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি কর্মকর্তাদের বলেছি, গতানুগতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দ্রুত ও দক্ষতার সাথে কাজ শেষ করতে হবে। এখানে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়, বরং শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করতে এসেছেন।’

অনুষ্ঠানে ইরাব সভাপতি ফারুক হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমান, সহ-সভাপতি শাহেদ মতিউর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আসিফ হাসান কাজল, অর্থ সম্পাদক নাজিউর রহমান সোহেলসহ ইরাব সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :
12 March 2026

সংসদের অধিবেশন কক্ষে আরবি ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা তাইয়্যেবা

www.cumillapost.com|

এসএসসিতে প্রশ্নফাঁস ও নকল রোধে মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস এবং নকল রোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে।

তিনি বলেন, ‘আসন্ন ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া পরীক্ষার পবিত্রতা রক্ষায় এবার মাঠ পর্যায়ে কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা হবে। সবগুলো শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তাসহ পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে শিগগিরই মতবিনিময় করা হবে।’

আজ শনিবার রাজধানীর মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’-এর সদস্যদের সঙ্গে ইফতার পরবর্তী এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করা আমার কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা অতীতে সফল হয়েছি, এবারও সেই ধারা বজায় থাকবে। তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা প্রশ্ন ফাঁসের অপচেষ্টা করবে, তাদের কঠোরভাবে দমন করা হবে। আমি নিজে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে পরীক্ষার সার্বিক নিরাপত্তা তদারকি করব।’

সারাদেশে ভিন্ন ভিন্ন প্রশ্নপত্রের পরিবর্তে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য একই স্ট্যান্ডার্ড বা মানদণ্ড থাকা উচিত। বিশ্বজুড়ে যদি বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অভিন্ন প্রশ্নে হতে পারে, তাহলে আমাদের দেশেও তা সম্ভব। আগামী বছর থেকে এই পদ্ধতি চালুর বিষয়ে কী করা যায়, আমরা তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি ।’

মন্ত্রণালয়কে নিজের ‘ইবাদতখানা’ হিসেবে উল্লেখ করে মিলন বলেন, ‘আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে আমি এমন ভিত্তি তৈরি করতে চাই, যা ১৮০ বছরের সমতুল্য প্রভাব ফেলবে। আমার লক্ষ্য হলো ধীরস্থিরভাবে কাজ করে যাওয়া, যাতে কোনো ভুল পদক্ষেপ না হয়।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে তিন স্তরের স্ক্রিনিং প্রসেস রাখার পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।

নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিগত ১৫-১৭ বছরে রাজনৈতিক কারণে বঞ্চিত শিক্ষকদের সুযোগ দিতেই এই যৌক্তিক পুনর্নির্ধারণ। এ ছাড়া ২০২৭ সালের নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জনকে নিজের অন্যতম প্রধান মিশন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাজের গতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি কর্মকর্তাদের বলেছি, গতানুগতিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দ্রুত ও দক্ষতার সাথে কাজ শেষ করতে হবে। এখানে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য নয়, বরং শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করতে এসেছেন।’

অনুষ্ঠানে ইরাব সভাপতি ফারুক হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান সালমান, সহ-সভাপতি শাহেদ মতিউর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক আসিফ হাসান কাজল, অর্থ সম্পাদক নাজিউর রহমান সোহেলসহ ইরাব সদস্য ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card