ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাগেরহাটে বাসের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ: বর–কনেসহ নিহত বেড়ে ১৪ Logo ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করতেন ১১ পুলিশ সদস্য Logo রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধের কারণে সংসদ থেকে বের হয়ে এসেছি Logo এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের সংসদ: প্রধানমন্ত্রী Logo সংসদের অধিবেশন কক্ষে আরবি ক্যালিগ্রাফিতে কালেমা তাইয়্যেবা Logo বিএনপি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে চায়: প্রধানমন্ত্রী Logo প্রেস টেবিল: দল নিরপেক্ষ সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্ন Logo প্রথম ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ Logo অতীতের সেই দুঃসহ দিনগুলোতে আর ফিরে যেতে চাই না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী Logo ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া রোধে সারাদেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করতেন ১১ পুলিশ সদস্য

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে
cumillapost অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজন পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ১১ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মেস ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) আরিফ মাহমুদ, মো. আল মামুন, মো. রেজাউল করিম ও কাজী রাজিউল জামান, কনস্টেবল মো. আতিউর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান, অফিস সহকারী মো. তৌফিক এলাহী, গুদামদার মো. জহির উদ্দিন এবং বিক্রয় সহকারী সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৫২টি ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করা হয়। এসব কার্ডের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে মোট ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৮৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, অভিযুক্তরা সরকারি দায়িত্বে থেকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণাপূর্ণভাবে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তদন্তের সময় অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলায় অভিযুক্তরা বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় কর্মরত আছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে অর্থ আত্মসাৎ করতেন ১১ পুলিশ সদস্য

আপডেট সময় : ১০:০৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করে প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চারজন পুলিশ পরিদর্শকসহ মোট ১১ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুদকের পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক মেস ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) আরিফ মাহমুদ, মো. আল মামুন, মো. রেজাউল করিম ও কাজী রাজিউল জামান, কনস্টেবল মো. আতিউর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান, অফিস সহকারী মো. তৌফিক এলাহী, গুদামদার মো. জহির উদ্দিন এবং বিক্রয় সহকারী সৈয়দ জসিম উদ্দিন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ঝালকাঠি পুলিশ লাইন্সের রেশন সেন্টারে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ২৫২টি ভুয়া রেশন কার্ড তৈরি করা হয়। এসব কার্ডের মাধ্যমে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে মোট ৩ কোটি ৯৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৮৫ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, অভিযুক্তরা সরকারি দায়িত্বে থেকে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণাপূর্ণভাবে রেশন সামগ্রী উত্তোলন করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তদন্তের সময় অন্য কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, মামলায় অভিযুক্তরা বর্তমানে বিভিন্ন জেলায় কর্মরত আছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।